অনেক ছোটখাটো অভ্যাস ব্যক্তির বিভিন্ন অবস্থা তুলে ধরে। স্বাভাবিকভাবেই এমন অনেক লক্ষণ আছে, যেগুলো থেকে বোঝা যায় ব্যক্তি উদ্বেগ আর উত্কণ্ঠায় ভুগছেন। এ ধরনের সমস্যা নিয়ে বিভিন্ন সময় বিশেষজ্ঞদের কাছে চিঠি লেখেন ভুক্তভোগীরা। অগোচরে থাকা সেসব উদ্বেগ-উত্কণ্ঠার সঙ্গে এখানে আপনার পরিচয় ঘটাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। দেখুন, আপনার মধ্যে এমন আচরণ আছে কি না? জর্জরিত মানুষের নিজের ভাষাতেই সমস্যাগুলো প্রকাশ করা হলো—
নড়াচড়া
‘আমি মাঝেমধ্যেই নিজের অজান্তে মুখে ও ঘাড়ে হাত ঘষতে থাকি। চুল টানতে থাকি কিংবা মুখের ব্রনগুলো খুঁটিয়ে রক্তও বের করে ফেলি। ’
ক্ষমা
‘কারো সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে—এমন যেকোনো কিছু এবং সব কিছুর জন্য আমি শুধু ক্ষমা চাইতে থাকি। এ জন্য আমি দায়ী থাকি বা না থাকি, অযথাই অন্যদের কাছে ক্ষমা চাই আমি। ’
বিরক্তি
‘যখন অস্থির লাগে, তখনই আমার কোথাও না কোথাও যেতে হয়। এমনও হয়, কারো সঙ্গে কথা বলতে ভালো লাগছে না। হঠাৎ করেই আমি কথার মাঝে উঠে চলে যাই, যা খুবই অশোভন। ’
ভুলোমন
‘গুরুত্বপূর্ণ যেকোনো বিষয় আমি সহজেই ভুলে যাই। আমার মনে সব সময় প্রচুর বিষয় ভিড় করে। আর এর সবই আমি ভুলে যাই। ’
চিন্তার দুর্বলতা
‘যেকোনো বিষয় আমি ব্যক্তিগতভাবে নিয়ে ফেলি। খুব সামান্য ভুলকেও অনেক বড় দোষ হিসেবে দেখি। সারা দিন বাজে চিন্তা করতে থাকি এটা নিয়ে। ’
আনমনা
‘আলাপচারিতার মধ্যে আচমকা আমি সব ভুলে যাই। কী নিয়ে কথা বলছিলাম, তা পরমুহূর্তেই মাথায় থাকে না। সেখানে আমি কেবল যৈন দৈহিকভাবেই উপস্থিত থাকি। ’
নীরব
‘খুব চুপচাপ হয়ে যাই। কেউ বোঝেন না আমি অফিসে আছি, নাকি বাসায়। ইচ্ছা করেই কারো ফোন ধরি না। ’
এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।