১৩ এপ্রিল, ২০২৬ | ৩০ চৈত্র, ১৪৩২ | ২৪ শাওয়াল, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  বার কাউন্সিলে উত্তীর্ণ সিবিআইইউ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা   ●  এআই বিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার   ●  প্রতারণা-জালিয়াতিই যেন বেলায়তের নীতি!   ●  উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ   ●  পাতাবাড়ি স্কুল প্রাক্তনদের পুনর্মিলনী ২৮ মার্চ   ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা   ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন

কক্সবাজারে দুই উপজেলায় উন্নত কৃষি ব্যবস্থাপনায় প্রশিক্ষণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কক্সবাজারের উখিয়া ও কুতুবদিয়া উপজেলায় উন্নত কৃষি ব্যবস্থাপনার উপর শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কারিগরি সহযোগিতা এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) আর্থিক সহায়তায় প্রশিক্ষণে দুই উপজেলার ৮০ জন শিক্ষক, ১২০০ শিক্ষার্থী, ২ হাজার ৪৩০ জন কৃষক অংশ নেয়।

আয়োজকরা বলছেন, উখিয়া এবং কুতুবদিয়া উপজেলার উপকারভোগী কৃষক-কিষাণিদের নিরাপদ উৎপাদন ও ফসল সংগ্রহোত্তর ক্ষয়ক্ষতি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম গৃহীত হয়। এতে উখিয়ায় ৪৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪৭ শিক্ষক, ৭০৫ শিক্ষার্থী এবং ১৩৫০ কৃষক-কিষাণি অংশগ্রহণ করে। এবং কুতুবদিয়ায় ৩৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৩ শিক্ষক ও ৪৯৫ শিক্ষার্থী এবং ১০৮০ কৃষক-কিষাণি অংশ নেয়।

অন্যদিকে বাজার সংযোগ উচ্চ মূল্যের ফসল প্রশিক্ষণে উখিয়া উপজেলায় ৯২০ এবং কুতুবদিয়ায় ৬৮০ কৃষক-কিষাণিকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।

প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর মো. মিজানুর রহমান বলেন, কক্সবাজারে কৃষি খাতকে আরো উন্নত করতে সচেতন নাগরিক হিসেবে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও মাঠ পর্যায়ে কাজ করা কৃষক-কিষাণিদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হয়েছে। এই প্রশিক্ষণ সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে পারলে কৃষিখাতে ব্যাপক উন্নয়ন আসবে।

কক্সবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ডঃবিমল কুমার প্রামাণিক বলেন, প্রশিক্ষণে অর্জিত নিয়ম ব্যবহার করে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বসতবাড়িতে শাক সবজি উৎপাদন করতে পারবে। কৃষকরা নিরাপদ ফসল, শাকসবজি উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে। এতে করে ভবিষ্যতে নিরাপদ শাকসবজি উৎপাদিত হলে স্থানীয়ভাবে চাহিদা পুরণ, পুষ্টি চাহিদা পূরণ এবং বিদেশে নানা ধরণের কৃষিপণ্য রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা যাবে।
###

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।