হাফিজুল ইসলাম চৌধুরীঃ সাহস, মূল্যবোধ, অনুপ্রেরণা নিয়ে পাঠকের মনে ঠাঁই করে নিয়েছে প্রথম আলো। সাংবাদিকতা ও ব্যবসা এ দুটো শব্দকে পরস্পরবিরোধী বলে মনে করার একটি প্রবণতা আছে। কিন্তু প্রথম আলো প্রমাণ করেছে, নৈতিকতা দিয়ে সংবাদপত্রের সম্প্রসারণ ও ব্যবসার সম্প্রসারণ যুগপৎভাবে করা সম্ভব। শনিবার (৪ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় কক্সবাজারে প্রথম আলোর ১৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
তাঁরা বলেন, প্রথম আলো একটি আলোকবর্তিকা। যার মাধ্যমে মানুষ, সমাজ ও দেশ আলোকিত হচ্ছে। এ দৈনিকটি শুধু সংবাদ পরিবেশন করেই দায়িত্ব শেষ করে না, সমাজ উন্নয়নে নানা ধরনের ভূমিকা রেখে চলেছে। প্রথম আলো দলনিরপেক্ষ কাগজ। এ দৈনিকটি সূর্যের কিরণের মতো জ্ঞানের আধার। নারী শক্তিকে জাগ্রত করে।
কেক কাটা, স্বেচ্ছায় রক্তদান, কথামালা, নাচ, মুকাভিনয়, বাঁিশর সুর, গান ও নানা আয়োজনে এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়। কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি মিলনায়তনে জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সুচনা হয়। উপস্থিত অতিথি এবং শুভানুধ্যায়ীদের অংশগ্রহণে কেক কাটার পর শুরু হয় স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি। বন্ধুসভার সভাপতি কাজী মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা অনুষ্ঠানে টেলিকনফারেন্সে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন প্রথম আলো কক্সবাজার অফিস প্রধান আব্দুল কুদ্দুস রানা। বক্তব্য দেন কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রেজারার প্রফেসর আব্দুল হামিদ, রেজিস্ট্রার নাজিম উদ্দিন সিদ্দিকী, পরিচালক (অর্থ) আব্দুস সবুর, সহকারি রেজিস্ট্রার কুতুব উদ্দিন, ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আমিনুল ইসলাম, কম্পিউটার সাইন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ ফয়সাল, ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক মিথিলা ফারহানা, কক্সবাজার সিটি কলেজের সহকারি অধ্যাপক জেবুন্নেছা, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক অনুপ বড়–য়া, নোঙ্গরের নির্বাহী পরিচালক দিদারুল আলম রাশেদ, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক বিশ^জিৎ পাল বিশু, শেখ রাসেল শিশু প্রশিক্ষণ ও পূণর্বাসন কেন্দ্রের উপ পরিচালক জেসমিন আকতার, প্রথম আলোর মহেশখালী প্রতিনিধি রুহুল বয়ান, কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী, মোহাম্মদ রাশেল, মারুফ বিন কবির ও উম্মে কুলসুম শম্পা প্রমূখ।
বন্ধুসভার সদস্য অর্পা দাশের ‘ কিনে দে কিনে দে রেশমি চুড়ি’ নাচের মধ্য দিয়ে শুরু হয় সাংষ্কৃতিক পর্ব। ফ্রান্সিসকো ডি ফ্লোরেন্স বাঁশি বাজালেন ‘বাঁশি শুনে আর কাজ নাই’ এ গানের। আরমান মালিক, শাফকাত শাহরিয়ার ও আশফাক শাহরিয়ারের পরিবেশনায় একক ও দ্বৈত মুকাভিনয় দর্শকদের বাড়তি আনন্দ দেয়। কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী তমা মহাজন গাইলেন ‘ তুমি রবে নিরবে’। সবশেষে উপস্থিত দর্শকদের অংশগ্রহণে শুরু হয় দ্বৈত নাচের প্রতিযোগিতা। ‘আমার গরুর গাড়িতে বউ সাজিয়ে’ গানে নেচে বিজয়ী হয় কক্সবাজার সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ফারিয়াল পুষ্পি ও এহসানুর রহমান ইমন জুটি। ‘ যদি বউ সাজো গো’ গানে নেচে রানার আপ হয় একই কলেজের তাসলিম জাহান মীম ও আরমান মালিক জুটি। পরে বিজয়ীদের পুরষ্কৃত করা হয়। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কক্সবাজার বন্ধুসভার সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল। রক্তদান কর্মসূচিতে সহযোগিতা করেন মেডিসিন ক্লাব কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ইউনিট।
এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।