বাংলাদেশের জলসীমায় অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে ২০১৫ ইং সালের ৮ ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ নৌবাহিনীর হাতে ৯২ জন মিয়ানমার নাগরিক(জেলে) অাটক হয়। তৎমধ্যে বাংলাদেশের জেলখানায় অসুস্থ হয়ে (শুক্কুর অালীর) মৃত্যু হয়। বাকী ৯১ জন মিয়ানমার নাগরিককে প্রত্যাবাসনের জন্য গৃহীত সিদ্ধান্ত মোতাবেক কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের নিকট হতে গ্রহন করে ৩৪ বিজিবি কতৃক ঘুমধুম সীমান্ত এলাকার বাংলাদেশ-মিয়ানমার মৈত্রী সীমান্তে দিয়ে অাজ ৩০ ই নভেম্বর সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে মিয়ানমার ইমিগ্রেশন এ্যান্ড ন্যাশনাল রেজিস্ট্রেশন ডিপার্টমেন্টের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এর অাগে সকালে কক্সবাজার ব্যাটালিনের অধীনস্থ নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম বিওপির বাংলাদেশ মায়ানমার মৈত্রী সেতুর সন্নিকটে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সীমান্ত ৩০/১ এর সংলগ্ন স্থানে মিয়ানমার ইমিগ্রেশন এ্যান্ড ন্যাশনাল রেজিস্ট্রেশন ডিপার্টমেন্টের সাথে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের একটি পতাকা বৈঠক অনুষ্টিত হয়। উক্ত বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন লেঃ কর্নেল ইমরান উল্লাহ সরকার, অধিনায়ক ৩৪ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন। মিয়ানমারের পক্ষে নেতৃত্ব দেন চ্য চ্য, ডেপুটি ডাইরেক্টর মিয়ানমার ইমিগ্রেশন এ্যান্ড ন্যাশনাল রেজিস্ট্রেশন ডিপার্টমেন্ট, মংডু, মিয়ানমার। উক্ত বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলে অারও উপস্থিত ছিলেন বিজিবি কক্সবাজার এর অতিরিক্ত পরিচালক মেজর অাবদুস সালাম, উপ- অধিনায়ক মেজর মোঃ অাবুল খায়ের জি, কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও কক্সবাজার জেলা পুলিশের প্রতিনিধি দল। অপরদিকে মিয়ানমারের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন মিয়ানমার ইমিগ্রেশন এ্যান্ড ন্যাশনাল রেজিস্ট্রেশন ডিপার্টমেন্ট- এর প্রতিনিধিবৃন্দ।
বৈঠক শেষে দুই দেশের সেক্টর পর্যায়ে সৌজন্য সাক্ষাতের মধ্যদিয়ে তাদের হস্তান্তর করা হয়।
এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।